Sat. Jan 25th, 2020

Sylhetnews71live

Online News Paper

শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বিদেশি শিক্ষার্থীর লকার থেকে টাকা চুরি

1 min read

শাবি প্রতিনিধিঃঃশাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) গেস্ট হাউজে বসবাস করা একমাত্র বিদেশি শিক্ষার্থী মাইজু আন্নিকা হেক্কিনেনের লকার থেকে প্রায় ৪০ হাজার টাকা চুরি হয়েছে। এ চুরির ঘটনায় বিশ^বিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে তিনি অভিযোগ করলেও তা আমলে নিচ্ছে না কর্তৃপক্ষ।
মাইজু বলেন, আমি বিশ^বিদ্যালয়ের গেস্ট হাউজে থাকি। দুই দফায় আমার লকার থেকে প্রথমে ১০০ ডলার ও পরবর্তীতে ৩০০ ইউরো চুরি হয়।
১০০ ডলার ও পরবর্তীতে ৩০০ ইউরো মিলে বাংলাদেশী টাকায় প্রায় ৪০ হাজারের মতো। মাইজু আন্নিকা হেক্কিনেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজকর্ম বিভাগের স্নাতকোত্তর তৃতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থী। তিনি ২০১৮ সালের ৩০ আগস্ট এ বিশ^বিদ্যালয়ে স্নাতকোত্তর পড়তে ফিনল্যান্ড থেকে বাংলাদেশে আসেন।
তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম ছাত্রী হলের আবাসিক ছাত্রী ছিলেন। হলের খাবার, পড়াশোনাসহ অন্যান্য সমস্যা থাকায় তার আবেদনের প্রেক্ষিতে একই বছরের ২ নভেম্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের গেস্ট হাউজে তার থাকার ব্যবস্থা করে দেয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
২০১৮ সালের ১০ জুন গেস্ট হাউজে তার রুমের লকার থেকে যথাক্রমে ১০০ ডলার এবং ১৩ সেপ্টেম্বর ৩০০ ইউরো চুরি হয়।
মাইজু বলেন, একজন স্টাফও নিয়মিত আমার খোঁজ নিতো। একজন কুক ও একজন ক্লিনারও আসতো। রুমের এক কপি চাবি গেস্ট হাউজের অফিসে জমা ছিলো। রুমে না থাকা অবস্থায়ও ওই তিনজন অতিরিক্ত চাবি দিয়ে রুমে যাওয়া-আসা করতো। আমার রুমের লকারের চাবি সবসময় আমার এক ব্যাগে রাখা থাকতো। টাকা চুরির ঘটনায় গেস্ট হাউজে কর্মরত কুক এবং ক্লিনার ও স্টাফকে সন্দেহ করছেন মাইজু।
তিনি বলেন, এসব ঘটনায় আমি বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছিলাম। ভিসি ও প্রক্টরকেও এ বিষয়ে অবিহিত করি। কিন্তু তারা কোনো ধরণের ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।
এর অগেও গেস্ট হাউজের একজন গার্ড আমার সাথে প্রায়ই বিভিন্ন ধরণের হয়রানিমুলক কথাবার্তা বলতো, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরকে এ বিষয়ে অবিহিত করার পর তিনি এর ব্যবস্থা নেন।
এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ ইশফাকুল হোসেন বলেন, তার (মাইজু) কথায় অসংলগ্নতা রয়েছে। আমাদের স্টাফরা তার অনুপস্থিতিতে কখনই তার রুমে যায় নি। গেস্ট হাউজের সকল রুমের চাবি গেস্ট হাউজের অফিসে থাকলেও কারো অনুমতি ছাড়া সেসব রুমে কেউ যেতে পারবে না।
তিনি বলেন, সে বাইরেও টাকাটা হারিয়ে থাকতে পারে। আমরা ভাইস চ্যান্সেলরের কাছেও বিষটি নিয়ে কথা বলেছি। তবে সার্বিক প্রমাণাদি না থাকায় আমরা আর কি ব্যবস্থা নিতে পারি?

⤵[শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি sylhetnews71live.com.'কে জানাতে ই-মেইল করুন- news.sylhetnews71@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব]
Copyright © Sylhetnews71live.com All rights reserved. | Developed By by Mediaitbd.com.
🔴Share
Facebook

Developed By Mediait