Sun. Jan 26th, 2020

Sylhetnews71live

Online News Paper

সিলেটের মাঠে জয় পেয়ে পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে ওঠেছে চট্টগ্রাম

1 min read

চট্রগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স বনাম খুলনা টাইগার্স খেলার একাংশ।

৭১ডেস্ক
লক্ষ্য মাত্র ১২২। টি-টোয়েন্টিতে এ তো রীতিমতো ‘মামুলি’ স্কোর! সেই স্কোর টপকাতে তাই বেগ পেতে হয়নি চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সকে। খুলনা টাইগার্সকে ৬ উইকেটে হারিয়ে অনায়াসে জয় পেয়েছে তারা।

এ জয়ে বঙ্গবন্ধু বিপিএলের পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে ওঠেছে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। ১০ ম্যাচে ৭ জয় আর ৩ হারে তাদের পয়েন্ট ১৪। ৯ ম্যাচে ৫ জয় আর ৪ হারে খুলনার পয়েন্ট ১০। খুলনার আগে আছে ঢাকা প্লাটুন (১২) আর রাজশাহী রয়্যালস (১২)।

বঙ্গবন্ধু বিপিএলে সিলেট পর্বের শেষ দিনের প্রথম ম্যাচে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে ১৯.৫ ওভারে অলআউট হওয়ার আগে খুলনা টাইগার্স করে ১২১ রান। চট্টগ্রামের পেসাররাই নেন ৯ উইকেট।

শনিবার বেলা ২টায় টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নামে খুলনা টাইগার্স। শুরুতেই বিপর্যয়ে পড়ে তারা। দলের ৮ রানে ফিরে যান মিরাজ। দক্ষিণ আফ্রিকান গ্রেট ব্যাটসম্যান হাশিম আমলা এ ম্যাচের মধ্য দিয়ে বিপিএলে অভিষিক্ত হন। কিন্তু তার অভিষেক ভালো হয়নি মোটেও; মেহেদি হাসান রানার বলে বোল্ড হয়ে ফেরার আগে করেন মাত্র ৮ রান।

উইকেটে এসে কোনো রান না করেই ফিরেন শামসুর রহমান। দলের রান তখন মোটে ১৪। এরপর ধস সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেন রাইলে রুশো ও মুশফিকুর রহিম। এ দুজনের ৪৯ রানের জুটি ভাঙে মুশফিকের বিদায়ে। বিপিএলে রানে থাকা মুশফিক এ দিন করেন ২৪ বলে ২৯ রান।

শ্লথ গতিতে চলা খুলনার রানের চাকা ঘুরানোর চেষ্টা করছিলেন রুশো। কিন্তু কেসরিক উইলিয়ামসের দারুণ এক ডেলিভারিতে বোল্ড হন তিনি (৪০ বলে দুটি করে চার-চয়ে ৪৮)। কাল শুক্রবার প্রায় একই রকম এক ডেলিভারিতে, ঢাকা প্লাটুনের পেসার হাসান মাহমুদের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দিয়েছিলেন রুশো। গতি আর নিখুত সিম পজিশনের বলে আজও আউট হয়ে ফিরেন এই দক্ষিণ আফ্রিকান।

উইকেটে এসেই ক্যাচ দিয়ে ফিরে যান এ ম্যাচ দিয়ে বিপিএলে অভিষিক্ত হওয়া পাকিস্তানী অলরাউন্ডার আমির ইয়ামিন। ফ্রাইলিঙ্ক করেন ২৩ বলে ১৭। আলাউদ্দিন বাবু, শফিউল ইসলাম, তানভীর ইসলামরা পারেননি খুলনার বোর্ডে মূল্যবান কিছু রান যোগ করতে।

ম্যাচে দুর্দান্ত বোলিং করেছেন চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের পেসার রুবেল হোসেন, কেসরিক উইলিয়ামস আর মেহেদি হাসান রানা। রুবেল ৩.৫ ওভারে মাত্র ১৭ রান দিয়ে ৩ উইকেট, উইলিয়ামস ৪ ওভারে ২১ রান দিয়ে ২ উইকেট এবং রানা ৪ ওভারে ২৯ রান দিয়ে ৩ উইকেট নেন। ৩ ওভারে ২২ রান দিয়ে জিয়াউর রহমান নেন এক উইকেট।

জবাব দিতে নেমে ধীরে শুরু করেন চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের দুই ওপেনার লেন্ডল সিমন্স আর জুনায়েদ সিদ্দিকী। লক্ষ্য হাতের নাগালে হওয়ায় কোনো ঝুঁকি না নিয়ে খেলতে থাকেন তারা। পরে অবশ্য রানের গতি বাড়িয়েছেন দুজনেই। এ দুজনের জুটিতে ১০ ওভারে স্কোরবোর্ডে ৬৯ রান যোগ হয়। জুটি ভাঙে সিমন্সের বিদায়ে। দীর্ঘদিন পর ম্যাচ খেলতে নামা স্পিনার অ্যালিস আল ইসলাম নিজের বলে ঝাঁপিয়ে পড়ে দুর্দান্ত এক ক্যাচে বিদায় করেন সিমন্সকে। ফেরার আগে ২৮ বলে তিন চার আর দুই ছয়ে ৩৬ রান করেন এই উইন্ডিজ ব্যাটসম্যান।

খানিক পরে মেহেদি হাসান মিরাজের বলে তার হাতেই ক্যাচ দিয়ে বিদায় নেন জুনায়েদ। ৩৯ বলে ৩৮ রান আসে এই বাঁহাতির ব্যাট থেকে। ছয় ম্যাচ পর উইকেটের দেখান পান মিরাজ। আসিলা গুনারত্নে প্রথম বলেই বোল্ড হয়ে যান রবি ফ্রাইলিঙ্কের বলে। চ্যাডউইক ওয়ালটনও সাজঘরে ফেরেন দ্রুত। এরপর আর কোনো ক্ষতি হয়নি চট্টগ্রামের। ইমরুল আর নুরুল হাসান সোহান ১১ বল হাতে রেখেই শেষ করে আসেন ম্যাচ। ২৭ বলে ৩০ রান আসে ইমরুলের ব্যাট থেকে। ৬ উইেেকটর জয় পায় চট্টগ্রাম।

খুলনার পেসার রবি ফ্রাইলিঙ্ক ৪ ওভারে ২০ রান দিয়ে দুটি, অ্যালিস ইসলাম ৪ ওভারে ২৭ রান দিয়ে একটি এবং মিরাজ ১ ওভারে ১০ রান দিয়ে একটি উইকেট নেন।

⤵[শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি sylhetnews71live.com.'কে জানাতে ই-মেইল করুন- news.sylhetnews71@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব]
Copyright © Sylhetnews71live.com All rights reserved. | Developed By by Mediaitbd.com.
🔴Share
Facebook

Developed By Mediait