Sat. Jan 25th, 2020

Sylhetnews71live

Online News Paper

অনেকদিন ধরে এমন কিছু খুঁজছিলাম যা আমি ইসলাম ধর্মে পেয়েছি: মার্কিন অভিনেত্রী

1 min read

মার্কিন অভিনেত্রী লিন্ডসে লোহান বলেন, ‘আমি বেশ কিছু দিন ধরে কোরআন নিয়ে গবেষণা করেছি। এখন আমার ধর্মান্তের একটা প্রক্রিয়া চলছে। সব ধর্মের প্রতি আমার সম্মান রয়েছে। ইসলাম একটি সুন্দর ধর্ম এবং আমি একজন অত্যন্ত ধর্মপরায়ণ ব্যক্তি।

আমার কাছে ইসলাম এমন কিছু যা আমি অনেকদিন ধরেই খোঁজছিলাম।’ অভিনেত্রী লিন্ডসে লোহান সম্প্রতি তার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইনস্টাগ্রামের অ্যাকাউন্ট থেকে নিজের জীবন বৃত্তান্ত মুছে দিয়ে সেখানে

‘আলাইকুম সালাম’ বার্তা পোস্ট করেছেন। তার এই বার্তায় চারদিকে চলছে নানা কানাঘুষা, হচ্ছে আন্তর্জাতিক সংবাদের শিরোনাম। এতে স্পষ্টতই জল্পনা চলছে যে, তিনি ইসলামে ধর্মান্তরিত হয়েছেন এবং তা অনেকের মাঝেই ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে।

একই সময়ে লোহানও তার নীরবতা ভেঙ্গেছেন। প্রকৃতপক্ষে তিনি শুধু ইসলাম নিয়েই মুখ খোলেন নি, তিনি একই সঙ্গে এটিকে স্বাগতও জানিয়েছেন। মুসলিম ও অভিবাসনের ওপর ট্রাম্পের নিষেধাজ্ঞা নিয়ে লিন্ডসে তার নিজের ভয় প্রকাশ করে বলেন,

‘ইসলামের প্রতি নিজের দুর্বলতার কারণেই আমি যুক্তরাষ্ট্রে ফিরতে ‘ভয়’ পাচ্ছি।’ তিনি বলেন, ‘অনেক কিছুই সম্ভব। তবে আমি বলতে পারি এটা আমার ব্যক্তিগত যাত্রার চেয়েও বেশি। একাধিক বিভিন্ন ধর্ম ও আধ্যাত্মিকতার প্রতি আমার আবেদন রয়েছে।

আপনি চাইলেই রাতারাতি একটি ধর্ম থেকে অন্য ধর্মে ধর্মান্তরিত হতে পারবেন না।’ তিনি ব্যাখ্যা করেছেন ইসলামে তার আগ্রহ কিভাবে তার জীবনে শান্তি নিয়ে এনেছে। তিনি বলেন, ‘নামাজ থেকে শুরু করে ইসলামের রীতিনীতি আমাকে মুগ্ধ করেছে।’

প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প যখন অভিবাসন ও সিরিয়াসহ ৭টি মুসলিম দেশের নাগরিকদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ নিষিদ্ধের নির্বাহী আদেশ স্বাক্ষর করেন তখন লিন্ডসে লোহান গ্রীস ও তুরস্ক সফর করছিলেন। ট্রাম্পের এ আদেশের বিরুদ্ধে দেশটিতে ব্যাপক বিক্ষোভ সংগঠিত হয়েছে।

ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্তে লোহানের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতার অনুভূতি জাগিয়ে তুলেছে। তাই তিনি দেশটিতে ফিরবেন কিনা সে সম্পর্কে তিনি সন্দিহান। তিনি বলেন, ‘বাস্তব পরিস্থিতি ও আমার ব্যক্তিগত বিশ্বাসের কারণেই আমি এখানে আসতে ভয় পাচ্ছি।’

তবে, তার সমসাময়িক বন্ধু ও ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের সহকর্মীদের কথা ভেবেই এই মুহূর্তে লিন্ডসে উত্তেজনাকর কোন সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন না। অধিকন্তু, তিনি আমেরিকাকে তার সঙ্গে যোগদান করতে আহ্বান জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘আমার সবসময় মনে হয় জনসাধারণের চোখ আপনাকে (ট্রাম্প) যাচাই-বাচাই করছে। তিনি প্রেসিডেন্ট- আমাদেরকে তার সঙ্গে যোগদান করতে হবে। আপনি যদি তাকে পরাজিত করতে না পারেন, তাহলে তার সঙ্গে যোগ দিন।’

অপরপক্ষে, লোহান অনেক দিন ধরেই তুরস্কে বসবাস করছেন। তিনি দেশটিতে সফর করার জন্য প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘আমি মনে করি এই সফরের

মাধ্যমে তিনি (ট্রাম্প) তুর্কিদের আতিথিয়তা ও সমর্থণ দেখতে পারবেন এবং এটি আমেরিকার জন্য ইতিবাচক হবে এবং এর মাধ্যমে তিনি অনুভব করতে পারবেন, এই দেশের মানুষগুলো কতটা ভালো।’

লোহান বলেন, ‘তিনি (ট্রাম্প) এখানে এসে অভিজ্ঞতা নিতে পারবেন কিভাবে তুরস্ক হাজার হাজার উদ্বাস্তুদের আশ্রয় দিয়েছে এবং কিভাবে তাদের স্বাগত জানিয়েছে। প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোগান অনেক বড় হৃদয়ের মানুষ এবং তার দেশ তার পাশে দাঁড়িয়েছে।’

দেশটিতে সাম্প্রতিক সামরিক অভ্যুত্থান সম্পর্কে কোনো মন্তব্য না করে তিনি কেবল বলেন, ‘আমি মনে করি আমাদের সবাইকে এই ব্যাপারে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। এই ব্যাপারে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

 

তুরস্কে শিশুদের নামাজে আকৃষ্ট করতে মসজিদে শিশুপার্ক তৈরি করলেন ইমাম!

শিশুদের নামাজ ও কুরআন শিক্ষার প্রতি আকৃষ্ট করতে মসজিদের সঙ্গেই ছোটখাটো একটি শিশুপার্ক গড়ে তুলেছেন তুরস্কের কোকেলি প্রদেশের বাসিসকেলে জেলার একটি মসজিদের ইমাম।

এ ঘটনায় দেশটিতে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে। ডেইলি সাবাহর বরাতে জানা যায়, গ্রীষ্মকালীন কুুরআন ক্লাসে শিশুদের কম উপস্থিতি দেখে চিন্তিত হয়ে পড়েন শহরের মারকেজ মসজিদের ইমাম মাওলানা কাদির সেলেকিজ।

এমন পরিস্থিতিতে শিশুদের নামাজ ও কুরআন ক্লাসের প্রতি আকৃষ্ট করতে মসজিদের সঙ্গে নিজ উদ্যোগে গড়ে তোলেন একটি মিনি শিশুপার্ক। ইমামের এমন উদ্যোগে এলাকায় সাড়া ফেলে।

কুরআন শিক্ষার পাশাপাশি বিনোদন ও খেলাধুলার সুযোগ থাকায় মসজিদে শিশুদের সংখ্যাও বৃদ্ধি পায়। ১০ বছর ধরে মসজিদটিতে ইমামের দায়িত্ব পালন করছেন কাদির সেলেকিজ।

এ শিশুপার্কটি গড়ে তুলতে তিনি স্থানীয় প্রতিষ্ঠান ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সহায়তা নেন। আরো জানা যায়, প্রতি সোমবার ক্লাস শেষে শিশুদের জন্য ইসলামি নাটকও পরিবেশিত হয় এখানে।

শিশুদের পপকর্ন এবং চকলেটও উপহার দেওয়া হয়। ইমামের এমন প্রশংসিত উদ্যোগে মসজিদটিতে শিশুদের সংখ্যা এক বছরেই ৩০ জন থেকে ১৫০ জনে উঠে আসে। পরবর্তী বছরের জন্য রেকর্ডসংখ্যক ২৫০ জন শিশুর নাম রেজিস্ট্রেশন হয়।

কাদির সেলেকিজ বলেন, আমাদের শিশুকালে আমরা মসজিদে খেলতাম আর বড়রা নামাজ পড়ত। অনেক সময় তারা আমাদের বকাবকি করত। সে সময় এটি আমাকে আহত করত। পরবর্তীতে আমার যখন সুযোগ আসল,

তখন আমি উদ্যোগ নিলাম শিশুদের খেলাধুলার মাধ্যমে মসজিদের প্রতি আকৃষ্ট করে তুলতে। বাড়ি থেকে মসজিদ দূরে হয়ে যাওয়ায় নিয়মিত নামাজে এবং ক্লাসে আসত না অনেক শিশু। তবে খেলাধুলার ব্যবস্থা করে দেওয়ার পর অনেকেই এখন আগ্রহী হওয়া শুরু করেছে বলে তিনি জানান। সুত্র: সাবাহ্

⤵[শেয়ার করে সঙ্গে থাকুন, আপনার অশুভ মতামতের জন্য সম্পাদক দায়ী নয়। আপনার চারপাশে ঘটে যাওয়া নানা খবর, খবরের পিছনের খবর সরাসরি sylhetnews71live.com.'কে জানাতে ই-মেইল করুন- news.sylhetnews71@gmail.com আপনার পাঠানো তথ্যের বস্তুনিষ্ঠতা যাচাই করে আমরা তা প্রকাশ করব]
Copyright © Sylhetnews71live.com All rights reserved. | Developed By by Mediaitbd.com.
🔴Share
Facebook

Developed By Mediait